Menu
Tangailtimes
Breaking News: পাকিস্তানের সামরিক ক্যাম্পে আফগানিস্তানের মুহুর্মুহু হামলাগরমের আগেই উত্তাপ ছড়াচ্ছে ফ্যানের দামঅপ্রচলিত গল্পগুলোকেই বাছতে চাই’স্পিনে কিউইদের বশ, ম্যাচের হিসেব বদলে দেয় জ্যাকস–রেহানকফি মেকারে অন্তর্বাস পরিষ্কারের আহ্বান তরুণীর, সমালোচনার ঝড়

সুপার এইট ফরম্যাট বিতর্কে সমালোচনার মুখে আইসিসি

Published on February 21, 2026 by admin

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট ফরম্যাট নিয়ে বড় ধরনের বিতর্কে জড়িয়েছে আইসিসি। পরবর্তী পর্বে ওঠা আট দলের নাম চূড়ান্ত হওয়ার পর ‘প্রি-সিডিং’ পদ্ধতি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এই ব্যবস্থার ফলে চারটি গ্রুপ চ্যাম্পিয়নকে রাখা হয়েছে একই সুপার এইট গ্রুপে, আর চারটি রানার্স-আপ দল জায়গা পেয়েছে অন্য গ্রুপে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই আইসিসি শীর্ষ দলগুলোর জন্য নির্দিষ্ট স্লট (যেমন এ ওয়ান, বি ওয়ান, সি ওয়ান, ডি ওয়ান) নির্ধারণ করে দেয়।

ফলে গ্রুপ ১-এ জায়গা পেয়েছে চার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন—ভারত, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা।অন্যদিকে গ্রুপ ২-এ রয়েছে চারটি রানার্স-আপ দল—পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড।

সমালোচকদের মতে, এই কাঠামো সুপার এইটে বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি করেছে। প্রথম পর্বে সেরা পারফর্ম করা চার দলের মধ্যে অন্তত দুটি দল সেমিফাইনালের আগেই বিদায় নেবে—এটি নিশ্চিত। অন্যদিকে, নিজেদের গ্রুপে দ্বিতীয় হওয়া কোনো দল তুলনামূলক সহজ পথে শেষ চারে পৌঁছানোর সুযোগ পাচ্ছে। সাধারণত ক্রীড়া টুর্নামেন্টে গ্রুপ চ্যাম্পিয়নদের পুরস্কৃত করার জন্য পরবর্তী ধাপে সুবিধাজনক অবস্থান দেওয়া হয়, কিন্তু এই ফরম্যাটে শীর্ষে শেষ করার বিশেষ প্রণোদনা নেই।

উদাহরণস্বরূপ, দক্ষিণ আফ্রিকা নিজেদের গ্রুপ জিতেও নিচু সিড পেয়েছে, কারণ নিউজিল্যান্ড—যারা নিজেদের গ্রুপে দ্বিতীয় হয়েছিল—টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই উচ্চ সিড নির্ধারিত ছিল। এর ফলে শীর্ষ আট দল নিশ্চিত হওয়ার পর গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচগুলোর গুরুত্ব অনেকটাই কমে গেছে, যা টুর্নামেন্টের উত্তেজনা ও নাটকীয়তা হ্রাস করেছে বলে মনে করছেন অনেকে।

সমালোচনায় এসেছে সহ-আয়োজক শ্রীলংকার বিষয়টিও। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে নিজেদের দেশে খেলার পরও, যদি তারা সেমিফাইনালে ওঠে, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী তাদের ভারতে যেতে হবে। এতে কলম্বোয় ঘরের দর্শকদের সামনে খেলার সুযোগ হারাতে পারে দলটি।

তবে আইসিসি তাদের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়েছে। ভারত ও শ্রীলংকায় যৌথভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে আগেভাগে ভেন্যু ও সূচি পরিকল্পনা করা জরুরি ছিল বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তাদের দাবি, লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ সামাল দিতেই ‘প্রি-সিডিং’ পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে।